ইতিকাফ অবস্থায় সাধারণ গোসলের জন্য মসজিদ থেকে বের হলে কি ইতিকাফ নষ্ট হবে?
প্রশ্ন এক ব্যক্তি রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করেছিলেন। তিন দিন পর তিনি অযু-ইসে-ঞ্জার
প্রশ্ন এক ব্যক্তি রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করেছিলেন। তিন দিন পর তিনি অযু-ইসে-ঞ্জার
প্রশ্ন আমি রমযান মাসে নিয়মিত এতেকাফ করে থাকি। সে সময় একাধারে কয়েকদিন
প্রশ্ন আমাদের এলাকায় প্রায় সকল মসজিদে তারাবির নামাযে চার রাকাত অন্তর
প্রশ্ন অধিক সওয়াবের আশায় আমাদের পরিবারের যাকাত ফিতরা সবসময় রমযান মাসেই
প্রশ্ন: আমার চাচা সাধারণত রমযানের শুরুতেই ফিতরা আদায় করে থাকেন। ইদানীং
প্রশ্ন আমাদের বাজার মসজিদে এক ব্যক্তি নিয়মিত রমযানের শেষ দশদিন ইতিকাফ
মুফতি মুহাম্মদ খাইরুল ইসলাম হাফিঃ ইতিকাফ : পরিচিতি ইতিকাফ আরবী
الجواب باسم ملهم الصِّدق و الصّوابইসলামিক শরিয়াহ মোতাবেক: রোযা অবস্থায় চোখে ড্রপ (চোখের
الجواب باسم ملهم الصِّدق و الصّواب ইসলামিক শরিয়াহ মোতাবেক রোজা অবস্থায় মিসওয়াক করা
الجواب باسم ملهم الصِّدق و الصّواب ইসলামিক শরিয়াহ মোতাবেক রোযা অবস্থায় স্বামী-স্ত্রী
الجواب باسم ملهم الصِّدق و الصّوابওষুধ বা যেকোনো বস্তু সরাসরি পেট বা মস্তিষ্কে প্রবেশ
হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. হযরত ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম
একস্থানে রোযা শুরু করে অন্যস্থানে যাওয়ায় রোযা কম-বেশি হলেধরে নেওয়া যাক, কোনো
যেসব কারণে রোযা ভাঙে না; কিন্তু অনেকে রোযা ভেঙে গেছে বলে মনে করে ======================================================= মাসআলা
যেসব কারণে শুধু কাযা ওয়াজিব হয় ========================== মাসআলা : রোযার কথা স্মরণ থাকা অবস্থায় অসাবধানতাবশত
যেসব কারণে কাযা ও কাফফারা উভয়টি জরুরি =================================== মাসআলা : রমযানে রোযা
সাহরি ও ইফতার ============= মাসআলা : সাহরি খাওয়া সুন্নত। পেট ভরে খাওয়া জরুরি নয়; এক
রোযার নিয়ত ========== মাসআলা : রোযার নিয়ত করা ফরয। নামায-রোযা ও অন্যান্য আমলের ক্ষেত্রে
হায়েয ও নেফাসগ্রস্ত মহিলার রোযা ========================== মাসআলা : রমযানের দিনে হায়েয ও
মুসাফিরের রোযা ============= মাসআলা : মুসাফির ব্যক্তির জন্য সফর অবস্থায় রোযা রাখা
====================== রমযানের চাঁদ উদিত হওয়ার পর প্রত্যেক সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন ও প্রাপ্তবয়স্ক
রমযান শুরু হওয়া যেহেতু চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার ওপর নির্ভরশীল, তাই মুসলমানদের জন্য
আমাদের দেশে প্রায় সবাই টাকা দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করে থাকেন। যুগ যুগ
যেসব লোক বার্ধক্যজনিত কারণে রোযা রাখতে পারে না। আল্লাহ তাআলা তাদের থেকে
যে অসুস্থ ব্যক্তি রোযা রাখলে তার রোগ বৃদ্ধি পায় এবং জীবন চলা কষ্টকর হয় অথবা রোগ
রোযা রাখার কারণে সন্তানের মৃত্যু বা অঙ্গহানী কিংবা মারাত্মক স্বাস্থ্যহানীর
গর্ভবতীকে নিজের বা সন্তানের একান্ত প্রয়োজনে রোযা না রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে। আর
যিনি নিজের অবস্থান থেকে শরয়ী ৪৮ মাইল বা তার অধিক দূরত্বে গমনের উদ্দেশ্যে
সূর্যাস্তের সাথে সাথে দ্রুত নামাযের পূর্বেই ইফতার করা। (কিতাবুল ফিকহি আলাল
কতগুলো বিষয় এমন আছে যেগুলোর কারণে রোযা নষ্ট না হলেও অবশ্যই মাকরুহ হবে। তাই
এম, আর করলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যায়। এম, আর হলো মাসিক নিয়মিতকরণ। গর্ভধারণের পাঁচ
ঢুস নিলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। কারণ ঢুস মলদ্বারের মাধ্যমে দেহের ভেতরে প্রবেশ
রোযাবস্থায় শরীরে স্যালাইন পুশ করলে রোযা ভঙ্গ হবে না। কারণ, স্যালাইন নেয়া
ইনসুলিন নিলে রোযা ভঙ্গ হবে না। কারণ, ইনসুলিন রোযা ভঙ্গ হওয়ার গ্রহণযোগ্য পথ
রোযা রেখেও কখনো কখনো অক্সিজেন গ্রহণ করতে হয়। যদি অক্সিজেনের সাথে কোনো ঔষুধ
রোযাবস্থায় হানাফী মাযহাবে মিসওয়াক করার অনুমতি আছে। যদিও তা তাজা ডালের
দেহের আভ্যন্তরীণ রোগ-ব্যাধি নির্ণয় করার জন্য এনডোসকপি করা হয়। এ সময় গলা থেকে নিয়ে
রোযাবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। তবে যদি রোযাবস্থায় বাধ্য
চোখে ঔষুধ ব্যবহার করা হলে (তরল কিংবা জমাট হোক এবং তার স্বাদ গলায় অনুভূত হোক বা
বহু রোযাদার এমন আছে, যারা রোযা রেখে এমন কাজ করে যাতে রোযা ভঙ্গ হয় না। অথচ মাসআলা
এক. রোযার কাফফারা হলো প্রতিটি রোযার পরিবর্তে দুই মাস (হিজরী গণনায়) ধারাবাহিকভাবে রোযা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- যে ব্যক্তি কোনো ওযর অথবা
সূর্য ডুবে গেছে ধারণা করে ইফতার করার পর আবার সূর্য দেখা গেলে রোযা
এক, ইফতার করা সুন্নাত। সূর্যাস্তের সাথে সাথেই অবিলম্বে ইফতার করা মুস্তাহাব। বুখারী
এক. রোযার নিয়ত ফরয। নিয়ত অন্তরের সংকল্প মাত্র। রোযার নিয়ত বিভিন্ন
শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হলে চাঁদ দেখা ছাড়াই পরদিন রোযা রাখবে। কিন্তু ২৯ দিন
প্রত্যেক সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন বালেগ মুসলমানের উপর রোযা ফরয। আল্লাহ
প্রবন্ধ রোযার অর্থ রোযা ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ। হযরত আদম আ.-এর যুগ
মুহতারাম! জনৈক ব্যক্তি সেহরী খাওয়ার পর সময় আছে ভেবে স্ত্রী সহবাস করে, পরে
মুহতারাম! আমার বন্ধু শিহাবের বয়স ১৯ বছর, সে রোজা রেখে নদীতে গোসল করতে যায়। নদীতে