লটারির শরয়ী বিধান: প্রাইজ বন্ড, লাকি কুপন ও বিভিন্ন ধরনের লটারির ইসলামী হুকুম

লটারি, প্রাইজ বন্ড, লাকি কুপন, পুরস্কারভিত্তিক অফার ও লাকি ড্র সম্পর্কে ইসলামের বিধান কী? কোন লটারি জায়েজ আর কোনটি হারাম—কুরআন-সুন্নাহ ও ফিকহের আলোকে বিস্তারিত আলোচনা।

ভূমিকা

বর্তমান যুগে লটারি, লাকি ড্র, প্রাইজ বন্ড, লাকি কুপন, পুরস্কারভিত্তিক অফার এবং বিভিন্ন ধরনের প্রচারণামূলক কর্মসূচি আমাদের সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বেসরকারি কোম্পানি, এমনকি অনেক সময় ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা মেলার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন ধরনের লটারির আয়োজন করা হয়ে থাকে। এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে কেউ বড় পুরস্কার পেয়ে যায়, আবার অধিকাংশ মানুষ কিছুই পায় না।

এ কারণে অনেক মুসলমানের মনে প্রশ্ন জাগে—ইসলামে লটারির বিধান কী? সব ধরনের লটারি কি হারাম? নাকি কিছু লটারি বৈধও হতে পারে? প্রাইজ বন্ড কি জুয়ার অন্তর্ভুক্ত? লাকি কুপন গ্রহণ করা কি জায়েজ? কোম্পানির দেওয়া পুরস্কার গ্রহণ করা কি বৈধ?

এসব প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য লটারির প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য বুঝতে হবে। কারণ শরীয়তের দৃষ্টিতে সব লটারির হুকুম এক নয়। কোনো লটারি সম্পূর্ণ হারাম ও জুয়ার অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, আবার কোনো লটারি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা বা ক্রম নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হলে তা বৈধও হতে পারে।

এই প্রবন্ধে আমরা লটারির বিভিন্ন প্রকার এবং তাদের শরয়ী বিধান বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।

আরও পড়ুন: মানুষ কেন অন্যের সুখ সহ্য করতে পারে না?

লটারি কীলটারি হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে একাধিক ব্যক্তি বা অংশগ্রহণকারীর মধ্য থেকে ভাগ্যনির্ভর পদ্ধতিতে একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে নির্বাচন করা হয়।

শরীয়তের দৃষ্টিতে লটারির বিধান নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য বিষয় হলো—

  • এতে কারো অধিকার নষ্ট হচ্ছে কি না।,এতে জুয়ার উপাদান আছে কি না।;অর্থ বিনিয়োগ নিশ্চিত কিন্তু লাভ অনিশ্চিত কি না।,একজনের লাভ অন্যজনের ক্ষতির মাধ্যমে হচ্ছে কি না।,লটারির উদ্দেশ্য কী।এই বিবেচনায় ফকীহগণ লটারিকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করেছেন।

প্রথম প্রকার: কিছু মানুষের অধিকার নষ্ট করে কিছু মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা

এ ধরনের লটারিতে কিছু লোক লাভবান হয় এবং অধিকাংশ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অর্থাৎ অংশগ্রহণকারীরা সবাই অর্থ প্রদান করে, কিন্তু পুরস্কার পায় মাত্র কয়েকজন। এই ধরনের লটারিতে মূল সমস্যা হলো—,অর্থ প্রদান নিশ্চিত।,পুরস্কার পাওয়া অনিশ্চিত।,একজনের লাভ অন্যদের অর্থ থেকে আসে।অধিকাংশ মানুষ কিছুই পায় না।এই কারণে এটি জুয়ার ন্যায় হয়ে যায়।


আরও পড়ুন: নারীর গৃহে অবস্থান : পরাধীনতা নয়, মৌলিক অধিকার

প্রাইজ বন্ডের উদাহরণ :আমাদের দেশে বা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরকার বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রাইজ বন্ড বিক্রি করে থাকে। নির্দিষ্ট মূল্যে বন্ড ক্রয় করার পর একটি নির্দিষ্ট তারিখে ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এরপর কিছু ব্যক্তি পুরস্কার লাভ করে এবং অধিকাংশ অংশগ্রহণকারী কোনো পুরস্কার পায় না। এখানে কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বিনিয়োগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ লাভ করে। কিন্তু অধিকাংশ ব্যক্তি কোনো লাভ পায় না। ফলে প্রশ্ন দাঁড়ায়—এই অতিরিক্ত অর্থ কোথা থেকে এলোবাস্তবে তা এসেছে অংশগ্রহণকারীদের সমষ্টিগত অর্থ থেকে। অতএব এখানে একজনের লাভ অন্যদের ক্ষতির উপর প্রতিষ্ঠিত। এই কারণে বহু আলেম প্রাইজ বন্ডভিত্তিক পুরস্কার ব্যবস্থাকে জুয়ার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ বলেছেন।ওয়াজ মাহফিল ও মেলার লটারি,অনেক সময় ওয়াজ মাহফিল, মেলা কিংবা অস্থায়ী বাজারে দেখা যায়, একজন বিক্রেতা বিভিন্ন পণ্য সাজিয়ে রাখে।এরপর নির্দিষ্ট মূল্যে চাকা বা টোকেন বিক্রি করে। যদি অংশগ্রহণকারী নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে চাকা ফেলতে পারে তাহলে সে একটি পণ্য পাবে। আর লক্ষ্যভেদ করতে না পারলে কিছুই পাবে না। ধরুন একজন ব্যক্তি ১০ টাকার একটি চাকা কিনল। সে হয়তো কিছুই পেল না। আবার হয়তো ৫০ বা ১০০ টাকার পণ্য পেয়ে গেল।এখানে অর্থ প্রদান নিশ্চিত, কিন্তু কী পাওয়া যাবে তা অনিশ্চিত।এই অনিশ্চয়তাই জুয়ার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।এ কারণে এ ধরনের লটারি শরীয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়।


আরও পড়ুন: ঈদের অতিরিক্ত ছয় তাকবীর: একটি দালিলিক আলোচনা

কেন এ ধরনের লটারি হারাম

ইসলামে জুয়ার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো,এক পক্ষ লাভবান হবে এবং অন্য পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন: হে মুমিনগণ! মদ, জুয়া, প্রতিমা ও ভাগ্য নির্ধারণকারী শরসমূহ শয়তানের অপবিত্র কাজ। অতএব তোমরা তা থেকে বেঁচে থাকো, যাতে তোমরা সফল হতে পার।”
(
সূরা মায়িদা: ৯০) লটারির মাধ্যমে যখন অর্থ বিনিয়োগ করা হয় এবং ফলাফল অনিশ্চিত থাকে, তখন তা জুয়ার ন্যায় হয়ে যায়।

লটারির মাধ্যমে আপ্যায়নের বিধান

ধরুন কয়েকজন বন্ধু একমত হলো যে তাদের মধ্যে লটারি হবে এবং যার নাম উঠবে সে সবাইকে আপ্যায়ন করাবে। এখানে একজনের উপর আর্থিক দায়ভার চাপানো হচ্ছে ভাগ্যের ভিত্তিতে। তাই এ ব্যবস্থাও জুয়ার অন্তর্ভুক্ত হবে। কারণ এখানে দায়িত্ব বণ্টনের ভিত্তি হলো ভাগ্য, ন্যায়সংগত চুক্তি নয়।ফলে এটি জায়েজ নয়।

দ্বিতীয় প্রকার: অন্তরের প্রশান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য লটারি

এ ধরনের লটারির উদ্দেশ্য কারো অধিকার নষ্ট করা নয়। বরং সমতা, ন্যায়বিচার ও সন্তুষ্টি প্রতিষ্ঠা করা। এই ধরনের লটারি শরীয়তে বৈধ।

আরও পড়ুন: ভিত্তিহীন ঘটনা : ওয়ায়েস করনীর দাঁত ভাঙার গল্প

রাসূল -এর আমলসহীহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ যখন সফরে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করতেন কাকে সঙ্গে নেওয়া হবে।এই লটারির উদ্দেশ্য ছিল—কাউকে অগ্রাধিকার দিয়ে অন্যকে কষ্ট না দেওয়া।ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।স্ত্রীদের অন্তরে সন্তুষ্টি সৃষ্টি করা।এখানে কারো অধিকার নষ্ট হয়নি।তাই এ ধরনের লটারি সম্পূর্ণ বৈধ।

কেন এই লটারি জায়েজ?

কারণ এখানে অর্থ লেনদেন নেই।জুয়ার উপাদান নেই।লাভ-লোকসানের প্রশ্ন নেই।অন্যের অধিকার নষ্ট করা হচ্ছে না।বরং লটারিকে একটি প্রশাসনিক ও ন্যায়সংগত পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। 

কোম্পানির উৎসাহমূলক পুরস্কারের বিধান

বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের উৎসাহিত করার জন্য পুরস্কার দিয়ে থাকে।যেমন—বিকাশ,মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান,অনলাইন শপ,সুপারশপ,বিভিন্ন ব্র্যান্ড, তারা নিজেদের অর্থ থেকে পুরস্কার প্রদান করে। এরপর লটারির মাধ্যমে একজন বা একাধিক বিজয়ী নির্বাচন করে।এ ক্ষেত্রে যদি গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া না হয়, তাহলে এই পুরস্কার বৈধ হতে পারে। কারণ এখানে কারো অধিকার নষ্ট করা হচ্ছে না। পুরস্কারটি কোম্পানির পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাপ্রদত্ত উপহার।

আরও পড়ুন: ইসলামের ইতিহাসে সর্বপ্রথম ফিকহী বোর্ড

ফ্রি অফার ও উপহারের বিধান

অনেক কোম্পানি ঘোষণা করে—এক কেজি ডিটারজেন্ট কিনুন, সঙ্গে একটি বালতি ফ্রি।”অথবাএকটি পণ্য কিনলে আরেকটি পণ্য বিনামূল্যে।”এ ধরনের অফার সাধারণত বৈধ। কারণ—পণ্য নির্দিষ্ট।মূল্য নির্দিষ্ট।ক্রেতা কী পাবে তা স্পষ্ট।কোনো অনিশ্চয়তা নেই।ফলে এটি জুয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়।

লাকি কুপনের শরয়ী বিধান

বর্তমানে লাকি কুপন অত্যন্ত জনপ্রিয়।কোনো দোকান বা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য ক্রয়ের পর ক্রেতাকে একটি কুপন দেয়।পরবর্তীতে ড্রয়ের মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। এই ক্ষেত্রে শরয়ী হুকুম কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে।

প্রথম শর্ত: পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করা যাবে না: যদি পুরস্কারের ব্যয় মেটানোর জন্য পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সমস্যা সৃষ্টি হবে। কারণ তখন ক্রেতার অর্থ থেকেই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

দ্বিতীয় শর্ত: প্রতারণা থাকা যাবে না :নিম্নমানের পণ্য বিক্রি করে কুপনের লোভ দেখানো বৈধ নয়।

তৃতীয় শর্ত: ক্রয়ের মূল উদ্দেশ্য পণ্য হতে হবে :যদি কেউ শুধু পুরস্কার পাওয়ার আশায় পণ্য ক্রয় করে, তাহলে বিষয়টি জুয়ার নিকটবর্তী হয়ে যায়। কিন্তু যদি তার মূল উদ্দেশ্য পণ্য ক্রয় হয় এবং পুরস্কার গৌণ বিষয় হয়, তাহলে তা বৈধ হতে পারে।

আরও পড়ুন: সারা বিশ্বে একই দিনে ঈদ করা কী ইমাম আবু হানিফার মাজহাব?

বর্তমান বাজারে প্রচলিত লাকি ড্র

আজকাল অনেক ব্র্যান্ড ,মোটরসাইকেল,ফ্রিজ ,টেলিভিশন,গাড়ি ,মোবাইল ফোন ইত্যাদি পুরস্কার ঘোষণা করে। সাধারণত ক্রেতারা পণ্য প্রয়োজনের কারণে ক্রয় করে। পুরস্কার পাওয়া তাদের প্রধান উদ্দেশ্য নয়। এ ক্ষেত্রে অধিকাংশ সমসাময়িক আলেম বৈধতার মতামত প্রদান করেছেন, শর্ত হলো পণ্যের মূল্য কৃত্রিমভাবে বৃদ্ধি করা যাবে না।

তৃতীয় প্রকার: অধিকার বা অংশ নির্ধারণের জন্য লটারি

এ ধরনের লটারির উদ্দেশ্য লাভ বা ক্ষতি নয়। বরং দায়িত্ব বা অংশ বণ্টনের ক্রম নির্ধারণ করা। এটি শরীয়তে বৈধ। উদাহরণ ধরুন পাঁচজন বন্ধু সিদ্ধান্ত নিলেন— সবার পালায় একদিন করে খাবারের আয়োজন হবে। এখন কে প্রথম দিন করবে, কে দ্বিতীয় দিন করবে—তা লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হলো। এখানে,সবার দায়িত্ব সমান।সবার ব্যয় সমান। কারো অধিকার নষ্ট হয়নি। শুধু ক্রম নির্ধারণের জন্য লটারি ব্যবহার করা হয়েছে।অতএব এটি জায়েজ।

কোন লটারি হারাম?

নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্য থাকলে লটারি হারাম হবে—অর্থ প্রদান নিশ্চিত কিন্তু লাভ অনিশ্চিত।একজনের লাভ অন্যের ক্ষতির মাধ্যমে হয়।জুয়ার উপাদান বিদ্যমান থাকে।অংশগ্রহণকারীদের অর্থ দিয়েই পুরস্কার দেওয়া হয়। অধিকাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কোন লটারি জায়েজ?

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে লটারি জায়েজ হতে পারে—ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য।দায়িত্বের ক্রম নির্ধারণের জন্য।কারো অধিকার নষ্ট না হলে।কোম্পানির স্বেচ্ছাপ্রদত্ত উপহার হলে।পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি না করা হলে।ক্রয়ের মূল উদ্দেশ্য পণ্য হলে।

উপসংহার

লটারির শরয়ী বিধান একক নয়; বরং এর প্রকৃতি, উদ্দেশ্য এবং বাস্তব অবস্থা অনুযায়ী হুকুম ভিন্ন হয়। যে লটারিতে জুয়া, অনিশ্চয়তা, অন্যের ক্ষতির মাধ্যমে লাভ অর্জন কিংবা অধিকার নষ্ট করার বিষয় থাকে, তা হারাম ও নাজায়েজ। পক্ষান্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, দায়িত্ব বণ্টন, ক্রম নির্ধারণ অথবা কোনো প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাপ্রদত্ত উপহারভিত্তিক লটারির ক্ষেত্রে বৈধতার সুযোগ রয়েছে।

তাই একজন মুসলমানের উচিত কোনো লটারি, লাকি ড্র, প্রাইজ বন্ড বা পুরস্কার স্কিমে অংশগ্রহণের আগে তার প্রকৃতি ভালোভাবে যাচাই করা এবং শরীয়তের আলোকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। কেননা সামান্য লাভের আশায় হারাম বা সন্দেহযুক্ত উপার্জনে জড়ানো একজন মুমিনের জন্য কখনোই কাম্য নয়।



মুফতি মুঈনুল ইসলাম  সিলেটি

ফাযেল ,জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা মোহাম্মদপুর বিয়ানীবাজার সিলেট

মুতাখাস্সিস ফিল ফিকহ,শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার ঢাকা

মুফতি ,সম্মিলিত ফতোয়া বিভাগ ,মা’হাদুল ফিকহিল ইসলামী বাংলাদেশ

মুশরিফ,( ইফতা বিভাগ) মারকাযুদ দাওয়াহ ওয়াল ইরশাদ, দক্ষিণখান, ঢাকা

মুফতি, ফাতাওয়া ও মাসায়েল


📋 ফতোয়া পর্যালোচনা ও অনুমোদন:

* এই সমাধানটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের হানাফি ফিকহের নির্ভরযোগ্য মূলনীতি অনুযায়ী মুফতি শরীফ মালিক (প্রধান মুফতি) এবং ফতোয়া পর্যালোচনা প্যানেল দ্বারা কিতাবের সুস্পষ্ট রেফারেন্সসহ সম্পাদিত ও অনুমোদিত।

২৪ জুন ২০২৬