আসসালামুয়ালাইকুম, আমি ১ জন ওয়াসওয়াসার রোগী ২-৩ বসর আগে আমি হুরমত সম্পর্কে জানার পর ওয়াসওয়াসায় ভোগা সুরু করি। ১ দিন আমি খাটে পরা ভাত তুলছিলাম খুব সাবধানে যাতে নানা সসুর এর সাথে স্পর্শ না হয় তার পর ও স্পর্শ হয় আর আমার মনে হুরমত হয়ে জাওয়ার ভয় আসে প্রচুর আর আমার পুরো শরির শির শির করে উঠে প্রথমে আমি ভাবি যে ভয়ে এমন হয়েছে পরে মনে আসলো যে সামির স্পর্শ এ ও অনেক সময় এমন শির শির করে উঠে সরির। তবে যেখানে স্পর্শ হয় সেখানে উনার লুংগি হালাক ভাজ হয়ে ছিলো আর সেই ভাজে আমার স্পর্শ টা হয় ঘটনার দিন এটাই আমার ধারনা ছিলো। তবে তার পরের দিন থেকে বার বার মনে হয় স্পর্শ টা সরিরে হয়েছিলো। এখন সেটা যদি কাম ভাব হয়ে থাকে এতে কি হুরমত হবে? ২ ঘটনা - আমি সেদিন আমার নানা সসুর এর হাতে ট্যাবলেট দিয়েছিলাম তো উনার হাত থেকে সেটা পরে উনার কাধে তো যখন দেখি উনাকে স্পর্শ করে সেটা তুলতে হবে তখন ও আমার মনে হুরমত হয়ে জাওয়ার অনেক ভয় কাজ করে আর তখন আমি আমার লজ্জাস্থান এ সংকোচন প্রসারন টের পাই, তো তখন আমি লজ্জাস্থান এ চাপ প্রয়োগ করে যত তারাতারি সম্ভব ঔষধ টা তুলে নেই। পরে স্পর্শ আলাদা হওয়ার পর চাপ ছেরে দিলে সংকোচন প্রসারণ কিছুটা বারে এবং ভেজা ভাব টের পাই। তো তখন আমি যতদুর মনে আসে কি হলো সঠিক বুঝে উঠতে পারছিলান না এবং অনেক ভেবে তখন মনে হয় যেহেতু আমি চাপ প্রয়গ করে ঔষধ টা তুলেছি তার মানে আমার কাম ভাব টা বারেনি এবং সেটা বলেই সেদিন ১ জন মুফতি থেকে সমাধান নেই উনি বলেন যে হুরমত হয়নি।ঘটনার পরের দিন থেকে মনে হতে থাকে যে মনে হয় কাম ভাব টা বেরেছিলো আবার মনে হয় যে মনে হয় মজি স্পর্শ অবস্থায় এসেছিলো কিন্তু আমি টের পেয়েছি পরে তবে পুরো পুরি নিশ্চিত হতে পারছিলাম না কোনভাবে। এতে ও কি হুরমত হবে?এখন আমার স্পষ্ট মনে নেই তাই ১ টা বিষয় জানতে চাওয়া ২ ঘটনার দিন ও যদি আমার মনে হয়ে থাকে যে মনে হয় বেরে গেছে বা যদি এমন মনে হয়ে থাকে যে বেরে গেল কিনা মানে আমি তো তখন নিশ্চিত ছিলাম না যে কাম ভাব টা বেরেছে এতে কি হুরমত হবে?আমার বাবার সাথে স্পর্শ হলে ও আমার তখন সরিরে কেমন জন লাগতো মনে হতো সেটা কাম ভাব তবে নিসচিত হতে পারতাম না। ১ দিন বাবা হটাত কানের সামনে এসে কথা বলে র স্পর্শে আমার পুরো সরির শির শির করে উথে তবে সেই শির শির টা ঠিক কেমন ছিলো তা আমার মনে আসছেনা এখন মনে হয় পা থেকে শির শির করে অপরের দিকে উথেছিল এখন এতে কি হুরমত হবে আমার সংসার টা কি হালাল আছে খুব পেরেসানিতে আছি আমি। নাম প্রকাস করতে চাইনা/
الجواب باسم ملهم الصِّدق و الصّواب
ইসলামী বিধান মতে নিম্নে বর্ণিত শর্তগুলো নিশ্চিত ভাবে প্রমাণিত হলে হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হয় অন্যথায় নয় । খোলা শরীরে স্পর্শ হতে হবে,স্পর্শের সময় নিশ্চিত কামভাব থাকতে হবে,স্পর্শের পর কামভাব স্পষ্টভাবে বৃদ্ধি পেতে হবে।বর্ণিত নীতির আলোকে আপনার তিনটি প্রশ্নের জবাব ।
প্রথম ঘটনার : আপনি লিখেছেন নানা শ্বশুরের সঙ্গে স্পর্শ হয়েছে স্পর্শ কাপড়ের ভাঁজে হয়েছে বলে তখন আপনার ধারণা ছিল পরে সন্দেহ হয়েছে হয়তো শরীরে লেগেছিল। শরীর শিরশির করেছে কিন্তু তা ভয় থেকে নাকি কামভাব থেকে নিশ্চিত নন। এই ঘটনার দ্বারা হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হবে না। কেননা খোলা শরীরে স্পর্শ হয় নি । এবং স্পর্শের সময় নিশ্চিত কামভাব থাকার ব্যাপারেও আপনি নিশ্চিত নয় ।
দ্বিতীয় ঘটনার : আপনি লিখেছেন ওষুধ তুলতে গিয়ে নানা শ্বশুরের কাধে স্পর্শ হয়েছে। তখন হুরমতের ভয় ছিল।লজ্জাস্থানে সংকোচন প্রসারণ অনুভব করেছেন।পরে চাপ ছাড়ার পর ভেজা ভাব টের পেয়েছেন।কিন্তু তখনও নিশ্চিত ছিলেন না কী হয়েছে।পরদিন থেকে হয়তো মনে হয় এ ধরনের সন্দেহ শুরু হয়েছে।এ ঘটনাতেও হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হবে না।কারণ নিশ্চিত কামভাব প্রমাণিত নয়।বরং যতটুকু মনে হয় সেটা আপনার ওয়াসওয়াসার কারণেই হয়েছে। কেননা আপনি নিজেই লিখেছেন তখন নিশ্চিত ছিলেন না পরে শুধু সন্দেহ হয়েছে।ওয়াসওয়াসার কারণে পরে তৈরি হওয়া সন্দেহ শরিয়তে প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় না।
সর্বশেষ বলেছেন বাবার স্পর্শে শরীর শিরশির করা এরদ্বারা ও হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হবে না কারণ শিরশির করা অনেক কারণে হতে পারে—ভয় বা ওয়াসওয়াসা ইত্যাদির কারণে ও হতে পারে । এখানেও আপনি নিশ্চিত নয় যে আপনি উত্তেজিত হয়েছিলেন। তাই এর দ্বারা ও হুরমত সাব্যস্ত হবে না বরং সেগুলো ওয়াস-ওয়াসার জনিত কারণেই হয়েছে এবং ওয়াসওয়াসা রোগীদের ক্ষেত্রে এমনটা হওয়া ও স্বাভাবিক বিষয় তাই কিছু মনে করার নেই বরং আপনার সংসার ঠিকই আছে এক্ষেত্রে আপনি চোখ বন্ধ করে সংসার করে যেতে থাকেন এবং অযথা সন্দেহ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন কেননা সন্দেহের মাধ্যমে ওয়াসওয়াসা তৈরি করা সেটা শয়তানেরই কাজ।
الأدلة الشرعية
قواعد الفقه ٧٣
اليقين لا يزول بالشك
الفتاوى الهندية١/٢٧٤
وتثبت بالمس والتقبيل
الدر المختار ٤/١٠٨
واصل ممسوسته بشهوة
الفتاوى التاتارخانية٤/٣٥
وتثبت الحرمة بالمس والتقبيل والنظر الى الفرج بشهوة
الفقه الاسلامي وادلته ٧/١٣٩
لان المس والنظر سبب داع الى الوطء فيقام مقامه في موضع الاحتياط
رد المحتار ٤/١٠٤
ويشترط ان تكون المراة مشتهاة وكذا تشترط الشهوة في الذكر
وكذا فيه ٤/١٠٨
بحائل لا يمنع الحرارة,,,,, فلو كان مانعا لا يثبت الحرمة
البحر الرائق ٣/١٧٧
واما اذا كان بحائل فان وصلت حرارة البدن الى يده تثبت الحرمة والا لا
فتوى نمبر 57536دار الإفتاء، دار العلوم ديوبند
" حرمت مصاہرت ثابت ہونے کے لیے پہلی شرط یہ ہے کہ کھلے جسم چھوئے، دوسری شرط یہ ہے کہ شہوت کے ساتھ چھوئے، تیسری شرط یہ ہے کہ چھونے کے بعد شہوت میں خوب زیا
মুফতি মুঈনুল ইসলাম সিলেটি
মুফতি, ফাতাওয়া ও মাসায়েল
মুফতি ,সম্মিলিত ফতোয়া বিভাগ ,মা’হাদুল ফিকহিল ইসলামী বাংলাদেশ
মুশরিফ,( ইফতা বিভাগ) মারকাযুদ দাওয়াহ ওয়াল ইরশাদ, দক্ষিণখান, ঢাকা