ফিকহ তালাক

রাগান্বিত অবস্থায় তালাকের বিধান

তালাকপ্রাপ্তি তে স্ত্রীর বক্তব্যঃআস সালামু আলাইকুম। আমি প্রাপ্ত তালাক নিয়ে আমার বক্তব্য উল্লেখ করছি। ২০২২ সালে আমার স্বামী আমাকে ঝগড়ার এক পর্যায়ে প্রচন্ড রাগের মাথায় এক তালাক উচ্চারণ করেন। দ্বিতীয় বার তালাক উচ্চারণের সময় আমি তার মুখে চেপে ধরি আর বলতে থাকি চুপ হয়ে যাও আর কিছু বলোনা। তখন আমি হায়েয অবস্থায় ছিলাম। এরপর উনি উনার ভুল বুঝতে পারেন এবং হায়েজ শেষে মিলনের মাধ্যমে সেটা আমরা ঠিক করার চেষ্টা করি। এর আড়াই মাস পর আবারও হায়েয অবস্থায় আমার স্বামী প্রচন্ড রাগের মাথায় ঝগড়ার এক পর্যায়ে পরপর দুই বার তালাক উচ্চারণ করেন আর আমি তাকে মুখে চেপে থামিয়ে দেই। এরপর ও উনি উনার ভুল বুঝতে পেরে একজন ফতোয়া দানকারী মুফতি এর শরাণাপন্ন হন। তিনি আমাদের দুই তালাক হয়ে গেছে বলেন এবং আমাদের স্বাক্ষী রেখে বিয়ে দেন। এরপর ২০২৪ সালে আমার স্বামী আবার ও তিন বার তালাক উচ্চারণ করেন। এরপর থেকে আমরা আলাদা বিছানায় ঘুমাই। এরপর আমার স্বামী অনুতপ্ত হন এবং আমরা' দুইজনে একসাথে থাকার উপায় খুঁজতে থাকি। এর মধ্যে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর একটি হাদিস দেখি, তিনি বলেছেন। রাগের অবস্থায় কোন তালাক ও দাসমুক্তি নেই' (আবু দাউদ, হা/২১৯৩; মিশকাত,হা/৩২৮৫)। 

এটাও দেখেছি যে হায়েয অবস্থায় তালাক হয়না। নবী সা: বলেছেন।এ হাদিস দেখে আমরা অনেক কান্নাকাটি করি এবং আল্লাহ তায়ালা তো পরম ক্ষমাশীল, আমরা বেশি ক্ষমা চাইলে আল্লাহ নিশ্চয়ই আমাদের ক্ষমা করে দিবেন, এই বিশ্বাস নিয়ে আবার একসাথে সংসার করতে থাকি। আল্লাহ তায়ালা তো বলেছেন শিরক ছাড়া সকল গুণাহ আল্লাহ মাফ করেন, সেই বিশ্বাসে আল্লাহর ক্ষমার আশায় বসে আছি।

* আমার স্বামী যখন রাগ করেন তখন উনি রাগের মাথায় কি করছেন, কিভাবে আচরণ করছেন, কি বলছেন, উনার কোন হিতাহিত জ্ঞান থাকে না।উনি জামা কাপড় ছিড়েছেন, প্লেট ও ভেঙেছেন রাগান্বিত অবস্থায়।ঠিক একটু পরেই রাগ শেষে উনি ভুল বুঝে অনুতপ্ত হন। আল্লাহ সর্বোত্তোম পরিকল্পনাকারী, ক্ষমাশীল, উনি ইনশাল্লাহভাল কিছু রাখবেন আমাদের জন্য। আল্লাহ আমাদের মাফ করুন। দুআর দরখাস্ত রইল।

স্বামী স্ত্রীর জবানবন্দীমূলক শিকারোক্তির ভিত্তিতে মাহাদুল ফিকহিল ইসলামী উত্তরার ফাতওয়া

 

নিম্নে স্বামী স্ত্রীর স্বীকারোক্তি বর্ণনা করা হলো

স্বামীর বক্তব্য হলো, তিনি প্রথমবার স্ত্রীকে এক তালাক বলার পর, দ্বিতীয়বার দুই তালাক বলার সময় শুধু মাত্র দুই বলার সাথে সাথে স্ত্রী তার মুখ চেপে ধরেন।

স্ত্রীর বক্তব্য হলো, তিনি মুখ চেপে ধরার পরও স্বামী তালাক শব্দ উচ্চারণ করেছেন তবে সেটা অস্পষ্ট ছিলো। তবে স্ত্রীর ধারণা যে. সেটা তালাকের শব্দই ছিলো।

স্বামীর বক্তব্য হলো, দ্বিতীয়বার যখন দুই তালাক দেন তখন তিনি এভাবে বলেছিলেন, তুমি এক তালাক, দুই তালাক।

স্ত্রীর বক্তব্য হলো, স্বামী তাকে শুধু তালাক তালাক বলেছেন।

স্বামীর বক্তব্য হলো, স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার এক পর্যায়ে যখন তার চরম রাগ হয়েছিল তখন তার সেন্স ছিলো এবং তিনি কী বললেন এটা বুঝতে পেরেছেন এবং তিনি একথা যে স্ত্রীকে লক্ষ্য করে বলছেন এটাও তিনি বুঝতে পারছিলেন। শুধুমাত্র তার ধৈর্য শক্তি ছিলো না।

স্ত্রীর বক্তব্য হলো, তার স্বামী বেশি রাগী মানুষ। তার সাথে ঝগড়ার সময় যখন তার প্রচন্ড রাগ হয় তখন তিনি কাপতে থাকেন এবং এদিক সেদিক ছুটাছুটি করতে থাকেন এবং তিনি কি বলেন সেটা তার খেয়াল থাকে না।

 আরও পড়ুন: হিলা বিবাহের মাধ্যমে কী পূর্বের স্বামীর জন্য হালাল হওয়া যাবে?


الجواب باسم ملهم الصِّدق و الصّواب

     ইসলামী বিধান মতে তালাক একটি নিকৃষ্ট গর্হিত  বৈধ কাজ অতি প্রয়োজন ব্যতীত শরীয়ত তালাক দেওয়া থেকে নিরুৎসাহিত   করে তথাপি  কোন ব্যক্তি যদি কারণে অকারনে ইচ্চায় অনিচ্ছায় স্বাভাবিকভাবে বা রাগান্বিত  অবস্থায়  লিখিত বা  মৌখিকভাবে তালাক দিয়ে দেয় তাহলে সংখ্যা  অনুযায়ী তালাক পতিত হয়ে যায়

    সুতরাং  বর্ণিত   বিবরণ অনুযায়ী প্রথমবার  স্বামী    এক তালাক বলার দ্বারা এক তালাকে রাজয়ী পতিত হয়েছে  অতঃপর   ইদ্দতের ভিতরে সহবাসের মাধ্যমে  ফিরিয়ে নেওয়ার দ্বারা  সংসার করা আপনার জন্য বৈধ হয়েছে   এবং  দুই তালাক অবশিষ্ট ছিল । পরবর্তীতে স্বামী  রাগের মাথায় আপনাকে উদ্দেশ্য করে  পরপর দুইবার তালাক উচ্চারণ করেছেন 

এক্ষেত্রে স্বামীর বক্তব্য হল: দ্বিতীয়বার দুই তালাক বলার সময় শুধু মাত্র দুই বলার সাথে সাথে স্ত্রী তার মুখ চেপে ধরেন।

স্ত্রীর বক্তব্য হলো:তিনি মুখ চেপে ধরার পরও স্বামী তালাক শব্দ উচ্চারণ করেছেন তবে সেটা অস্পষ্ট ছিলো। তবে স্ত্রীর ধারণা যে. সেটা তালাকের শব্দই ছিলো।

 

আমাদের বক্তব্য :তালাক পতিত হওয়ার ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর বক্তব্যের মধ্যে মৌলিকভাবে কোন পার্থক্য দৃশ্যমান নয়  কেননা স্বামীর স্বীকারোক্তি দ্বারা বুঝা যাচ্ছে তিনি দুই বলার পর স্ত্রী তার মুখে চেপে ধরেছেন আর স্ত্রীর স্বীকারোক্তি দ্বারা বুঝা যাচ্ছে যে মুখে চেপে ধরার পরও স্বামী তালাক শব্দ উচ্চারণ করেছেন যা অস্পষ্ট হলেও বুঝা যাচ্ছিল  ফলে উচ্চারিত দুই তালাক কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে।  এবং পূর্বের এক তলাক পরবর্তী দুই তালাক মিলিয়ে তালাকের সর্বোচ্চ সংখ্যা তিন পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে আপনাদের স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক শেষ হয়ে একজন অপরজনের জন্য হারাম হয়ে গেছেন ফলে তার পরবর্তীতে স্বাভাবিকভাবে সংসার করার কোন সুযোগ নেই।

তিন তালাক হয়ে যাওয়ার পর  যে বা যারা বিবাহ পড়িয়েছেন এবং সাক্ষী ছিলেন তারা যদি তালাকের বিষয়টি অবগতির পর এমন কাজ করে থাকেন তাহলে সবাই গুনাগার হবেন। কেননা তিন তালাক হয়ে যাওয়ার পর ইদ্দত পালন পরবর্তী  স্বাভাবিকভাবে অন্যত্র বিবাহ হওয়ার পর স্বামী   মারা গেলে  বা তালাক দিলে ইদ্দত পালনের শর্তে প্রথম স্বামীর সাথে বিবাহে আবদ্ধ হওয়ার সুযোগ আছে  এছাড়া শুধুমাত্র নতুন বিবাহ পড়িয়ে দেওয়া সংসার বৈধ হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয় বরং সেটা স্পষ্ট হারাম।

আর তালাকের সংখ্যা যেহেতু সর্বোচ্চ তিন সেটা শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে  ২০২৪ সালের তিন তালাক অকার্যকর হিসেবে গণ্য হবে।  তবে বৈধ ভাবে সংসার করার পদ্ধতি হল : তালাকপ্রাপ্তা  ইদ্দত পালনের পর  স্বাভাবিকভাবে অন্যত্র বিবাহে আবদ্ধ হওয়ার মাধ্যমে  স্বামী মারা গেলে বা তালাক দিলে ইদ্দত পালন পরবর্তী চাইলে প্রথম স্বামীর সাথে পুনরায়  বিবাহে আবদ্ধ হওয়ার সুযোগ রয়েছে অন্যথায় নয়। লক্ষ্যনীয় বিষয় : তিন তালাকের পর স্বামীর সাথে পুনরায় সংসার করার জন্য আমাদের সমাজে প্রচলিত চুক্তিভিত্তিক হিল্লা বিয়ে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

রাগের  মাথায় তালাক :এক্ষেত্রে শরীয়তের মূলনীতি হলো রাগ যদি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলার কারণে রাগ পরবর্তী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ন্যূনতম কোন ধারনা তার থাকেনা তখন উক্ত ব্যক্তির তালাক ইসলামি দৃষ্টিকোণে অকার্যকর হিসেবে গণ্য হয়।

 

রাগের পরিমানের ব্যাপারে  স্বামীর বক্তব্য নিম্নরুপ:স্বামীর বক্তব্য হলো, স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার এক পর্যায়ে যখন তার চরম রাগ হয়েছিল তখন তার সেন্স ছিলো এবং তিনি কী বললেন এটা বুঝতে পেরেছেন এবং তিনি একথা যে স্ত্রীকে লক্ষ্য করে বলছেন এটাও তিনি বুঝতে পারছিলেন। শুধুমাত্র তার ধৈর্য শক্তি ছিলো না। বর্ণিত মূলনীতি অনুযায়ী স্বামীর বক্তব্য দ্বারা অবস্থার পর্যালোচনা করলে এটিই প্রতিমান হয় যে স্বামীর রাগ স্বাভাবিক পর্যায়ে ছিল  যার কারণে তার  হিতাহিত জ্ঞান ছিল  তার প্রমাণ এই যে তিনি স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে রাগের মাথায় তিনি যা বলেছেন তা বুঝতে পেরেছিলেন এমনকি এটাও বুঝতে পেরেছিলেন যে তিিন তার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো বলছেন সুতরাং এমন রাগ তালাক পতিত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হবে না বিধায় আপনার উপর তিন তালাক পতিত হওয়ার বিষয়টি সুনিশ্চিত যার ব্যাপারে কোন সন্দেহ থাকার সুযোগ  নেই  শরীয়তের আলোকে  এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।

  উল্লেখ্য : আবু দাউদ শরীফে বর্ণিত হাদিসের ব্যাখ্যা :উক্ত হাদিসে বর্ণিত  রাগের সময় তালাক না হওয়ার অর্থ  হলো : রাগ যদি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলার কারণে রাগ পরবর্তী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ন্যূনতম কোন ধারনা তার থাকেনা তখন উক্ত ব্যক্তির তালাক ইসলামি দৃষ্টিকোণে অকার্যকর হিসেবে গণ্য হয়।  (আবু দাউদ ২১৯৩)

 হায়েজ অবস্থায় তালাকের বিধান : হায়েজ অবস্থায় তালাক দেওয়া যদিও গুনাহের কাজ কিন্তু কোন ব্যক্তি যদি হায়েজ অবস্থায় তালাক দিয়ে দেয় তাহলে সেটা সংগঠিত হয়ে যাবে পাশাপাশি সে গুনাগার হবে এটাই হানাফী মাযহাবের গ্রহণযোগ্য মত।

 

الادلة الشرعية


سورة البقرة (٢٣٠)

   فان طلقها فلا تحل له من بعد حتى تنكح زوجا غيره

سنن ابي داوود (٢١٩٣)

     اخرج الامام ابو داوود بسنده عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا طلاق ولا عتاق في إغلاق

  السنن الكبرى للبيهقي (١٤٤٩٢)

     قال حسن : لولا اني سمعت ابي يحدث عن جدي النبي صلى الله عليه وسلم : من طلق امراته ثلاثا لم تحل له  حتى تنكح زوجا غيره

المصنف لابن ابى شيبة(١٨٠٨٧)

     عن واقع بن سحبان قال سئل عمران بن حصين رضي الله عنه عن رجل طلق امراته  ثلاثا في مجلس  قال اثم بربه  و حرمت عليه امراته

الهداية (٢/١٣٢)

     وان كان الطلاق ثلاثا في الحرة او ثنتين في الامة لم تحل له حتى تنكح زوجا غيره نكاحا صحيحا ويدخل بها ثم يطلقها او يموت عنها

سنن الترمذي ١/٢٢٦

    عن ابي هريره رضي الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كل طلاق جائز الا طلاق المعتوه المغلوب على عقله

رد المحتار ٤/٤٣٩ مكتبة الازهر

     فالذي ينبغي التعويل عليه في المدهوش نحوه  اناطة الحكم بغلبة  الخلل فى اقواله وافعاله الخارجة عن عادته  وكذا يقال فيمن اختل عقله لكبر او لمرض اولي مصيبه فاجاءته فما دام في حال غلبة الخلل في الاقوال والافعال لا تعتبر اقواله وان كان يعلمها ويريدها لان هذه المعر فة  غير معتبرة  لعدم حصوليا عن ادراك صحيح

وفيه ايضا

     وللحافظ ابن  القيم  الحنبلي  رسالة في طلاق الغضبان قال فيها

انه  على ثلاثة اقسام

الثاني  ان يبلغ النهاية فلا يعلم ما يقول  ولا يريده فهذا لا ريب انه لا ينفذ شيئا من اقواله

:الفتاوى الهندية ١/٤٧٠

    اذا طلق الرجل امراته تطليقة رجعية وتطليقتين فله ان يراجعها في عدتها رضيت بذلك او لم ترض

الهداية ٢/٣٩٥

    الرجعه ان يقول راجعتك او راجعت امراتي

رد المحتار ٥/١٣٥

    وان راجعتها بالفعل مثل ان يطاها او يقبلها او ينظر الى فرجها  بشهوة فانه يصير مراجعا عندنا  

الهداية (٢/١٣٢)

    وان كان الطلاق ثلاثا في الحرة او ثنتين في الامة لم تحل له حتى تنكح زوجا غيره نكاحا صحيحا ويدخل بها ثم يطلقها او يموت عنها 

فتاوى محموديه ١٢/٦٥٩

     اگر دل و دماغ کی تکلیف کی وجہ سے حواس باختہ اور مدہوش تھا کہ اس کو اپنے اقوال وافعال کا علم نہیں، یا اس سے بلا اختیار اقوال وافعال صادر ہوتے ہیں اور اکثر مختل تھے اور ایسی حالت میں اس نے طلاق تحریر کی اور جب زبانی طلاق دی ہے اس وقت بھی ایسی ہی حالت تھی تب تو کوئی طلاق واقع نہیں ہوئی


মুফতি মুঈনুল ইসলাম  

মুফতিফাতাওয়া ও মাসায়েল 

মুফতি ,সম্মিলিত ফতোয়া বিভাগ ,মা’হাদুল ফিকহিল ইসলামী বাংলাদেশ

মুশরিফ,( ইফতা বিভাগ) মারকাযুদ দাওয়াহ ওয়াল ইরশাদদক্ষিণখানঢাকা



📋 ফতোয়া পর্যালোচনা ও অনুমোদন:

অনুমোদিত ফতোয়া দ্বারা: fatwamasail.com ফতোয়া board ও উপদেষ্টা প্যানেল

* এই সমাধানটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের হানাফি ফিকহের নির্ভরযোগ্য মূলনীতি অনুযায়ী মুফতি শরীফ মালিক (প্রধান মুফতি) এবং ফতোয়া পর্যালোচনা প্যানেল দ্বারা কিতাবের সুস্পষ্ট রেফারেন্সসহ সম্পাদিত ও অনুমোদিত।

০৯ জুলাই ২০২৬