ব্যাংকের ব্যক্তি মালিকানাধীন সকল প্রকার একাউন্ট যাকাতযোগ্য। একাউন্ট হোল্ডার নেসাবের মালিক হলেই তাকে ব্যাংকে গচ্ছিত টাকাগুলোর যাকাত প্রদান করতে হবে। চলতি হিসাব, সঞ্চয়ী হিসাব, দীর্ঘ মেয়াদী ও ডিপিএস হিসাবসহ সকল একাউন্ট এ হুকুমের আওতাভুক্ত হবে। ব্যাংক হিসাবের স্ট্যাটমেন্ট দেখে যাকাত প্রদান করা যেতে পারে। যাকাতদাতার হিসাব-বর্ষের শেষে স্ট্যাটমেন্টে যত টাকা পাওয়া যাবে তার যাকাত সে প্রদান করবে।

কোনো এক একাউন্ট থেকে সরাসরি ট্যাক্স বা সার্ভিস চার্জ কাটা গেলে যাকাতের হিসাবে এ টাকা অন্তর্ভুক্ত হবে না।

একাউন্ট হোল্ডারের জমাকৃত টাকা ছাড়া ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত যদি সুদ (বা মুনাফা নামের সুদ) জমা হয় তবে তা যাকাতযোগ্য নয়; বরং সুদ ও হারামের মাল হস্তগত হলে তা পুরোটাই সদকা করে দিতে হবে। অবশ্য যাকাত দেওয়ার সাথে পুরো টাকার হিসাব করে নিলে এ নিয়ত করে নিবে যে সুদের অংশের ২.৫% যাকাত হিসাবে দিচ্ছে না; বরং ঐ অংশের ২.৫% দায়িত্বমুক্তির জন্য আদায় করছে। এরপর যখন সে হারাম টাকা সওয়াবের নিয়ত ছাড়া দান করবে তখন যাকাতের সাথে প্রদানকৃত ২.৫% বাদ দিয়ে বাকিটা সদকা করতে হবে।

.

মাসিক আলকাউসার


মুফতি আবু সাঈদ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ

তাখাসুস্স ফিল ফিকহ শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার ঢাকা

সম্মানিত মুফতি ও সদস্য, ফতোয়া বোর্ডফাতাওয়া ও মাসায়েল

মুফতিমাহা'দুল ফিকহিল ইসলামি উত্তরা ঢাকা