মুহতারাম! আমাদের মহল্লার মসজিদের কার্পেটের উপর একদিন একটি বিড়াল এসে পেশাব করে দেয়। উল্লেখ্য যে, সেই কার্পেটটি মসজিদের ফ্লোরের সাথে আঠা দিয়ে লাগানো ছিল, যার কারণে কার্পেটটি ধোয়া সম্ভব হচ্ছিল না। তবে ভেজা নেকড়া দিয়ে ওই জায়গাটি কয়েকবার মোছা হয়। জানার বিষয় হলো, এ অবস্থায় ভেজা নেকড়া দিয়ে মোছার দ্বারা কি কার্পেটটি পাক হয়েছে? অন্যথায় পাক করার পদ্ধতি কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।
নিবেদক: আবু বাসির
الْجَوَابُ بِاسْمِ مُلْهِمِ الصِّدْقِ وَالصَّوَابِ
শরয়ী দৃষ্টিকোণে কার্পেট বা এ জাতীয় কোনো জিনিসে তরল অদৃশ্যমান নাপাকি পতিত হলে তা পবিত্র করার পদ্ধতি হলো, তা এমনভাবে ধৌত করবে, যাতে নাপাকি দূর হয়ে যাওয়ার প্রবল ধারণা সৃষ্টি হয়ে যায়। অথবা তিনবার ধৌত করে নেওয়ার দ্বারাও পবিত্র বলে গণ্য হয়।
সুতরাং প্রশ্নোক্ত সূরতে, কার্পেটটি পবিত্র করতে হলে নাপাকি পতিত হওয়ার স্থানটিতে এমনভাবে পানি প্রবাহিত করবে, যাতে উক্ত নাপাকি দূর হওয়ার প্রবল ধারণা সৃষ্টি হয়। এর দ্বারা কার্পেটটি পবিত্র হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র ভেজা নেকড়া দিয়ে মোছার দ্বারা তা পবিত্র হবে না।
রেফারেন্স: মুখতাসারুল কুদুরী: পৃ. ৫৫, মাকতাবাতুল বুশরা। আল-মুখতার লিল ফাতাওয়া: পৃ. ১০৫, দারুস সিরাজ। হাশিয়াতুত তাহতাবি আলাদ্দুর: ১/১৬৩, আল-মাকতাবাতুল আরাবিয়া। আল-ফাতাওয়াল ওয়ালিজিয়্যাহ: ১/৪৫, মাকতাবাতুল হারামাইন শরিফাইন।
মুফতি মুয়াজ বিন ইয়াহইয়া
ফাযেল ও মুতাখাস্সিস ফিল ফিকহ, শেখ জানূরুদ্দীন র. (চৌধুরীপাড়া মাদ্রাসা) ঢাকা-১২১৯
মুফতি, মাহা'দুল ফিকহিল ইসলামি উত্তরা ঢাকা
মুফতি, ফাতাওয়া ও মাসায়েল