মুহতারাম, কোনো মহিলা যদি ঔষধ খেয়ে হায়েয বন্ধ রাখে এবং ঔষধ খাওয়ার পর দীর্ঘদিন তাঁর হায়েয না আসে, তাহলে এমতাবস্থায় ঐ মহিলার কী করণীয় এবং এটার হুকুম কী হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।
নিবেদক: উসমান গনী।
الْجَوَابُ بِاسْمِ مُلْهِمِ الصِّدْقِ وَالصَّوَابِ
শরয়ী দৃষ্টিতে হায়েয ও তৎসংশ্লিষ্ট হুকুম-আহকাম সাব্যস্ত হওয়ার জন্য রেহেম থেকে রক্ত নির্গত হওয়া শর্ত।
সুতরাং কোনো মহিলা ঔষধ সেবন, ইনজেকশন কিংবা অন্য কোনো উপায়ে হায়েযের রক্ত বন্ধ করে ফেললে সে ঐ দিনগুলোতে পবিত্রা হিসেবে গণ্য হবে এবং নামাজ, রোজা, তাওয়াফ, এহরামসহ পবিত্রতা-সংশ্লিষ্ট যাবতীয় ইবাদাত তার উপর প্রযোজ্য হবে। উল্লেখ্য, কৃত্রিম উপায়ে হায়েয বন্ধ করা চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ক্ষতিকর হওয়ায় তা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।
রেফারেন্স: আল-ফিকহুল হানাফী: ১/১১৫, দারুল কলম। মারাকিল ফালাহ: পৃ. ১৩৯, ফায়যিয়্যাহ। ফাতাওয়ায়ে হক্কানীয়া: ২/৫৬৫, দারুল উলুম হক্কানীয়া।
মুফতি মুয়াজ বিন ইয়াহইয়া
ফাযেল ও মুতাখাস্সিস ফিল ফিকহ, শেখ জানূরুদ্দীন র. (চৌধুরীপাড়া মাদ্রাসা) ঢাকা-১২১৯
মুফতি, মাহা'দুল ফিকহিল ইসলামি উত্তরা ঢাকা
মুফতি, ফাতাওয়া ও মাসায়েল