الجواب باسم ملهم الصِّدق و الصّواب
ইসলামিক শরিয়াহ মোতাবেক: যে মসজিদে নির্ধারিত ইমাম-মুয়াজ্জিনের মাধ্যমে নিয়মিত আজান ও জামাআত অনুষ্ঠিত হয় (মসজিদে মহল্লা), সেখানে প্রথম জামাআত হয়ে যাওয়ার পর প্রকাশ্যভাবে দ্বিতীয় জামাআত করা মাকরূহ। তবে কেউ যদি দেরিতে এসে দু-একজন মিলে নিঃশব্দে জামাআত করে নেয়, তাহলে তা জায়েজ আছে; কিন্তু এটিকে নিয়মিত রীতি বানানো ঠিক নয়। আর যে মসজিদ রাস্তার ধারে বা বাজারে, যেখানে নির্দিষ্ট ইমাম-মুয়াজ্জিন নেই (মসজিদে সড়ক বা গায়রে মহল্লা), সেখানে একাধিক জামাআত হওয়া মাকরূহ নয়।
এর কারণ হলো—মহল্লার মসজিদে একাধিক জামাআত চালু হলে মানুষ প্রথম জামাআতে উপস্থিত হওয়ার গুরুত্ব কম মনে করতে পারে এবং জামাআতের শৃঙ্খলা নষ্ট হতে পারে। এজন্য ফকীহগণ প্রথম জামাআতের মর্যাদা রক্ষার জন্য দ্বিতীয় জামাআতকে অপছন্দনীয় বলেছেন।
الادلة الشرعية
١: ردالمحتار ٥٥٢/١ (سعيد)
٢: الفتاوى الهندية ١ /١٤٠-١٤١(مكتبة الاتحاد)
٣: مجمع البحرين ١٣٠ (دارالكتب العلمية)
٤: البحر الرائق ٦٥/١ زكريا
٥: درر الحكام ٢٥٦/١ ( المكتبة الرحمانية)
٦: الفتاوى البزازية ٣١/١ ( مكتبة الإتحاد)
٧: الفقه على مذاهب الأربعة ٥٣٦/١
٨: خير الفتاوى ٢ /٣٤٥ زك
٩: فقه العبادات ٣٣٩
١٠: مختارات النوازل ١ /٣١٤( مؤسسة)
و الله اعلم بالصواب
মুফতি আবু সাঈদ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ
তাখাসুস্স ফিল ফিকহ শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার ঢাকা
সম্মানিত মুফতি ও সদস্য, ফতোয়া বোর্ড, ফাতাওয়া ও মাসায়েল
মুফতি, মাহা'দুল ফিকহিল ইসলামি উত্তরা ঢাকা