মুহতারাম! হিন্দুদের ১২ মাসে ১৩ পূজা, তার অন্যতম তাদের নিকট শারদীয় পূজা। সেই উপলক্ষে তারা এক স্কুল থেকে চাঁদা কালেকশন করে। এতে অনেক মুসলিমও চাঁদা দেয়। পরবর্তীতে তারা মুসলিম-অমুসলিম সবাইকেই সেই স্কুলে পূজার খাবার বিতরণ করে। জানার বিষয় হলো, কোনো মুসলমান পূজায় চাঁদা দেওয়া এবং পূজার খাবার গ্রহণ করার হুকুম কী? এর কারণে মুসলমানদের ঈমানে কোনো সমস্যা হবে কি না?

নিবেদক: সালমান আহমদ, কুমিল্লা

الْجَوَابُ بِاسْمِ مُلْهِمِ الصِّدْقِ وَالصَّوَابِ

শরীয়তের দৃষ্টিতে বিজাতিদের ধর্মীয় কোনো অনুষ্ঠানে সহমত প্রদর্শনপূর্বক চাঁদা দেওয়া কুফরি। তবে ভিন্ন কোনো কারণে চাঁদা দেওয়ার কারণে ঈমান যাবে না বটে, তবে সর্বাবস্থায় বিজাতিদের এ ধরনের সহযোগিতা থেকে বিরত থাকা অপরিহার্য। সুতরাং আলোচ্য মূলনীতির আলোকে হিন্দুদের পূজায় চাঁদা দেওয়ার বিধান নির্ণিত হবে।

আর পূজার খাবার যদি গোশত জাতীয় হয়, তবে তা গাইরুল্লাহর নামে জবাইকৃত হওয়ায় তা খাওয়া সম্পূর্ণরূপে হারাম। এতদ্ভিন্ন অন্যান্য খাবারও সংশয়মুক্ত না হওয়ায় তা খাওয়া থেকে বিরত থাকা বাঞ্ছনীয়।

সূত্র: মুহিতুল বোরহানি ৭/৪২৮, মাজলিসুল ইলমি; বাহারুর রায়েক ৫/২০৮, জাকারিয়া; মাজমাউল আনহুর।

 

মুফতি মুয়াজ বিন ইয়াহইয়া

ফাযেল ও মুতাখাস্সিস ফিল ফিকহ ,শেখ জানূরুদ্দীন র. (চৌধুরীপাড়া মাদ্রাসা ) ঢাকা-১২১৯

মুফতি, মাহা'দুল ফিকহিল ইসলামি উত্তরা ঢাকা

মুফতি,ফাতাওয়া ও মাসায়েল