মুহতারাম! একবার তসলিমা নাসরিন নামক জনৈক নামের এক বৃদ্ধা বলেন যে, “মসজিদ ও মন্দিরের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই। মসজিদে যেভাবে ইবাদত করলে সওয়াব পাওয়া যায়, তদ্রূপ কেউ মন্দিরে গিয়ে উপাসনা করলেও সওয়াব পাওয়া যাবে।” জানার বিষয় হলো, তার বক্তব্য কতটুকু সহিহ? এবং তার হুকুম কী? প্রমাণসহ জানাবেন।
নিবেদক: মোঃ আতাউল্লাহ
الْجَوَابُ بِاسْمِ مُلْهِمِ الصِّدْقِ وَالصَّوَابِ
শরিয়তের দৃষ্টিতে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়ে তাদের রীতিতে উপাসনা করাকে সওয়াব অর্জনের মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া স্পষ্ট কুফরি। জেনে-বুঝে ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটি বিশ্বাস করলে ব্যক্তি ঈমানচ্যুত হয়ে যায়।
সুতরাং প্রশ্নোক্ত তসলিমা নাসরিন নামক জনৈক নামক মহিলার “মসজিদ ও মন্দিরের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই” বলা উচিত নয়। আর “মসজিদে ইবাদত করলে যেভাবে সওয়াব পাওয়া যায়, তদ্রূপ মন্দিরে উপাসনা করলেও সওয়াব পাওয়া যাবে” বলে মূর্তিপূজা ও মসজিদের ইবাদতকে এক দাবি করা এবং মূর্তিপূজার প্রতি স্বীকৃতি জ্ঞাপন করার দ্বারা সে ঈমানচ্যুত হয়ে গেছে।
এক্ষেত্রে তার জন্য খাঁটি মনে তওবা করে এ জাতীয় কথা পরিহার করা এবং ঈমান নবায়ন করা অপরিহার্য।
দলিলসমূহ: সূরা তাওবা—১৮ নং আয়াত; ফাতওয়া হক্কানিয়া—১/১৪৭, হক্কানিয়া; আল-আকাইদুল ইসলামিয়া—২/২৩০, দারুস সালাম; কিফায়াতুল মুফতি—১/২৫১, দারুল ইশাআত।
মুফতি মুয়াজ বিন ইয়াহইয়া
ফাযেল ও মুতাখাস্সিস ফিল ফিকহ ,শেখ জানূরুদ্দীন র. (চৌধুরীপাড়া মাদ্রাসা ) ঢাকা-১২১৯
মুফতি, মাহা'দুল ফিকহিল ইসলামি উত্তরা ঢাকা
মুফতি,ফাতাওয়া ও মাসায়েল