মুহতারাম! আমাদের সমাজে প্রচলন আছে, যদি কোনো মহিলা প্রেগন্যান্ট হয়, তাহলে তার স্বামী গরু-ছাগল-হাঁস-মুরগি ইত্যাদি জবাই করতে পারবে না; অন্যথায় মহিলার গর্ভের সন্তানের ক্ষতি হবে। জানার বিষয় হলো, এমন আকীদা পোষণ করার দ্বারা তাদের ঈমানের মধ্যে কম-বেশি সৃষ্টি হবে কি না? আর এর বাস্তবতা কী?

নিবেদক: সাইফুল ইসলাম জিহাদী

الْجَوَابُ بِاسْمِ مُلْهِمِ الصِّدْقِ وَالصَّوَابِ

শরয়ী দৃষ্টিতে মানুষের ভালো-মন্দ, সুস্থতা-অসুস্থতা, লাভ-ক্ষতি- সবকিছুর ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্যই। আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো জিনিসের মধ্যে এ জাতীয় ক্ষমতা রয়েছে বলে বিশ্বাস রাখা কুফুরির অন্তর্ভুক্ত।

অতএব, প্রশ্নোক্ত সূরতে বাস্তবেই কারো মধ্যে এমন বিশ্বাস পাওয়া গেলে তা কুফুরি আকীদা বলে গণ্য হবে। অবশ্য মহান আল্লাহকে একমাত্র ক্ষমতাবান বিশ্বাস রেখে এ জাতীয় কথা বলা ও মানার দ্বারা ঈমানে কোনো কম-বেশি হবে না, তবে এ রকম আকীদা রাখা ঠিক নয়। শরিয়তে এবং মেডিকেল সায়েন্সে এর কোনো বাস্তবতা নেই।

সূত্র: আল-কুরআনুল কারিম, সূরাতুত তাওবা, আয়াত: ১৫; আকীদায়ে তাহাবি, পৃষ্ঠা: ১৩১; ফাতাওয়া কাসিমিয়া—১/৫৮৯, আশরাফিয়া।

 

মুফতি মুয়াজ বিন ইয়াহইয়া

ফাযেল ও মুতাখাস্সিস ফিল ফিকহ ,শেখ জানূরুদ্দীন র. (চৌধুরীপাড়া মাদ্রাসা ) ঢাকা-১২১৯

মুফতি, মাহা'দুল ফিকহিল ইসলামি উত্তরা ঢাকা

মুফতি,ফাতাওয়া ও মাসায়েল